পোস্টগুলি

ভগবান (ঈশ্বরঃ) - ঈশ্বর প্রাপ্তির লক্ষণ।

ছবি
ঈশ্বর প্রাপ্তির লক্ষণ। ঈশ্বর প্রাপ্তির কিছু সাধারণ লক্ষণ রয়েছে, যা বিভিন্ন ধর্ম ও আধ্যাত্মিক পথ অনুসারে ভিন্ন হতে পারে। তবে এঁদের  মধ্যে  কিছু সাধারণ লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো— ঈশ্বর প্রাপ্তি হলে :— ১. ভগবানের নাম নিতেই চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, কণ্ঠ ভারী হয়ে যায়, আর শরীর ভক্তির আনন্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। ২.অহংকারের বিলোপ হবে। অখণ্ড শান্তি ও আনন্দ অনুভব করবেন। ৩.অপরিসীম প্রেম ও দয়া অনুভব হবে। ৪.মোহ-মায়া থেকে মুক্তি হবে। ৫.চেতনার উর্ধ্বগতি ও সমভাব হবে। সুখ-দুঃখ, জয়-পরাজয়, লাভ-ক্ষতি—সবকিছু সমানভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতা জন্মাবে। ৬.আত্মজ্ঞান ও ঈশ্বরের সরাসরি অনুভূতি হবে। ঈশ্বরপ্রাপ্ত ব্যক্তি কেবল বিশ্বাসে নয়, বরং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় ঈশ্বরকে অনুভব করেন। ৭.কামনা-বাসনার বিলোপ হবে। শরীর ও ইন্দ্রিয়সংক্রান্ত কামনা ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে যায়, এবং ব্যক্তির চেতনা কেবল ঈশ্বরমুখী হয়ে ওঠে। ৮.অন্তরের মধ্যে এক দিব্য আলো অথবা জ্ঞান অথবা ঈশ্বরের উপস্থিতির অনুভূতি আসে।  ৯.নির্বিচার ভক্তি ও আত্মসমর্পণ: ভাব প্রবল হবে। এই ভাব এত প্রবল হবে যে তিনি আর পূজা, মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারবেন না, ঈশ্বর প্রেমের অশ্রু ত...

পূজা কত প্রকার ? পূজা কিভাবে করবেন ? পূজার দ্বারা কিভাবে ফল লাভ করবেন ?

ছবি
ঈশ্বরের পূজায় ঈশ্বর উপকৃত হন না।  ঈশ্বরের পূজায় ভক্ত উপকৃত হন। ★ পূজার সংজ্ঞা: ভগবানের গুণাবলি প্রকাশক এবং গুণারোপিত ভগবৎ সত্তার পরিচায়ক দেবগণের প্রীতির জন্য সঠিক সেবা, গুণকীর্তন, প্রার্থনা, প্রণাম ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার আনুষ্ঠানিকতাকে পূজা বলা হয়। এক কথায়, সেবক ও ইশ্বরের ঐক্য সম্পর্কই পূজা। পূজার মূল উপাদান হলো ভক্তি। ভক্তি ছাড়া পূজা নিস্ফল হয়। পূজা দুটি অঙ্গ বা ভাগে বিভক্ত—বাহ্য পূজা ও আভ্যন্তর পূজা। ভক্তিনীতি: বাহ্যা ভক্তির্দুরাচারঃ, অন্তর্ভক্তিঃ সদাচারঃ। অন্তর্ভক্ত্যা আত্মশুদ্ধিঃ, আত্মশুদ্ধ্যা ঈশ্বরপ্রাপ্তিঃ॥ বাহ্য পূজা: বাহ্য পূজা দুই প্রকার—বৈদিক পূজা ও তান্ত্রিক পূজা। বৈদিক পূজা: বেদের নির্দেশ অনুযায়ী যে পূজা সম্পন্ন হয়, তাকে বৈদিক পূজা বলা হয়। তান্ত্রিক পূজা: তন্ত্রের নিয়ম অনুসারে যে পূজা করা হয়, তাকে তান্ত্রিক পূজা বলা হয়। আভ্যন্তর পূজা: মনের গভীর ভক্তি দ্বারা যে পূজা সম্পন্ন হয়, সেটি আভ্যন্তর পূজা। श्री जगन्नाथ भक्ति तत्व। निष्कामकर्मदृष्ट्या प्रभुं प्रसन्नं भवदीय सः निष्कामभक्तिभावेन मग्नः प्रभुं प्राप्नोति सः स एव श्रीजगन्नाथः परब्रह्म सनातनः। मोक्षमुक्तिप्रदाता स निर्गुण...

God and Signs of Attaining God (Ishwarprapti) .

ছবি
  Signs of Attaining God. There are some common signs of attaining God, which may vary according to different religions and spiritual paths. However, some general signs are given below. When one attains God: 1.Simply uttering the Lord’s name brings forth tears, a choked voice, and a body overwhelmed with ecstatic emotions.  2.Ego will dissolve.  Unbroken peace and bliss will be experienced. 3.Boundless love and compassion will be felt. 4.Freedom from worldly attachments (Maya-Moha) will occur. 5.Elevated consciousness and equanimity will develop. The ability to accept everything, happiness and sorrow, victory and defeat, gain and loss, with a balanced mind will arise. 6.Self-realization and direct experience of God will happen. A person who attains God does not merely believe but directly experiences the presence of the Divine. 7.Desires and sensual cravings will vanish. Physical and sensory desires gradually diminish, and the consciousness becomes solely God-centered. 8....

Shanti and Shanti Mantras (English & Bengali)

ছবি
The Abode of Peace Year after year I sought for Peace, Through God, through priest, through inward seas; In temple halls and crowded ways, Through fleeting nights and restless days. I chased her through the changing scene- In joy, in grief, in what has been; Yet ever like a distant star, She felt so near, yet seemed so far. At last, when all my seeking ceased, I met the still and silent Peace. I bowed with heart and folded hands: “O Peace, in which bright realm thou stand’st?” She smiled-no voice, yet truth was heard, A wordless light, beyond all word: “I dwell not where the heart must strive, Nor where the fear of death survives. I live where birth and death are naught, Where ‘I’ dissolves in purest Thought; Where name and form no more prevail, And Silence with the Soul doth dwell. Seek me not in life’s circling strife, Nor in the trembling tides of life; But climb to Moksha’s silent height- There blooms my calm, unending light; Moksha - the freedom, pure and deep, From birth and rebi...

বিপত্তারিণী পূজার নিয়ম - विपत्तारिणी की पूजा के नियम-How to perform Bipadtarini puja.

ছবি
Maa-Bipadtarini মা বিপত্তারিণী-मां विपत्तारिणी.   জগজ্জননি মহাশক্তে যোগমায়ে সনাতনি। সর্বাধারে স্বরূপিণি নারায়ণী নমোऽস্তু তে॥ ত্বমেব জগন্মাতা — অনন্তশক্তিস্বামিনী। ত্বমেব আদিমাতা — প্রকৃতিঃ সর্বহিতপ্রদায়িনী॥ ত্বমেব মায়া — জগত্‌স্থিতি-বিস্তার-কারিণী। ভক্তানাং বিপত্তারিণী চ সর্বদুঃখহারিণী॥ ॐ হ্রীং ক্লীং নারায়ণায়ৈ নমঃ ॐ হ্রীং ক্লীং বৈষ্ণব্যৈ নমঃ ॐ হ্রীং ক্লীং প্রকৃত্যৈ নমঃ ॐ হ্রীং ক্লীং আদিশক্ত্যৈ নমঃ   মা বিপত্তারিণী মা যোগমায়া র ই অন্য এক রূপ মা বিপত্তারিণী/বিপদতারিনী।  তিনিই  মহামায়া সনাতনী, শক্তিরূপা, গুণময়ী। তিনি এক, তবু প্রকাশ বিভিন্ন  তিনিই  দেবী নারায়ণী,  তিনিই  কখনো বা চণ্ডিকা,কখনো বা অম্বিকা,কখনো বা বৈষ্ণবী, কখনো বা  কৌষিকী,  কখনো বা কাত্যায়নী  নামে খ্যাতা ।  তিনিই আবার তমোময়ী নিয়তি।  তিনিই  আবার ভগবান নারায়নের যোগমায়া। মার্কণ্ডেয় পুরাণ মতে তিনিই আবার আদ্য শক্তি মহামায়া।   মা  বিপদতারিনী র  ব্রত   । মার্কণ্ডেয় মুনি বলেছিলেন,মা বিপত্তারিণীর ব্রতের দ্বারা জীবনে সুখ, শ...