ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমান, ঈশ্বর প্রাপ্তির উপায় ও ঈশ্বর প্রাপ্তির লক্ষণ।
লিঙ্ক পান
Facebook
X
Pinterest
ইমেল
অন্যান্য অ্যাপ
-
মানব-উৎপত্তি: বিবর্তন, প্রমাণ এবং ঈশ্বরের দ্বারা সৃষ্টি।
বিজ্ঞানের মতে, প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন-প্রক্রিয়ার ফলে মানুষ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে প্রাচীন প্রাইমেট পূর্বপুরুষদের থেকে বিবর্তিত হয়ে মানুষের সৃষ্টি হয়েছে । অনেক বিজ্ঞানীদের মতে আধুনিক মানুষ (Homo sapiens) প্রায় ৩ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় জন্ম লাভ করে । বিজ্ঞানের মতে মানব-উৎপত্তি: বিবর্তন, প্রক্রিয়া টি নিম্ন রূপ।
প্রাইমেট → এপ → প্রাথমিক মানব-পূর্বপুরুষ (হোমিনিন) → আধুনিক মানুষ
মানুষ এপ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। মানুষের নিকটতম জীবিত আত্মীয় হল শিম্পাঞ্জি এবং বনোবো এবং এর অন্যান্য বৃহৎ এপের মধ্যে গরিলা ও ওরাংওটাং । তবে মানুষ এবং মানুষের নিকটতম জীবিত আত্মীয়—শিম্পাঞ্জি ও বনোবো—এদের সঠিক সব চেয়ে নিকট সাধারণ পূর্বপুরুষদের এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং জীবাশ্ম-নথিতেও তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করে বলা হয় যে, ঈশ্বরই আমাদের সৃষ্টি করেছেন। মানুষের অস্তিত্বই ঈশ্বরের অস্তিত্বের একটি অন্যতম প্রমান।
ঈশ্বর প্রাপ্তির উপায়।
পাখি যেমন তার ডানার সাহায্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উড়ে যায়,তেমনই জীব কর্ম ও ধর্ম, এই দুই ডানার সাহায্যে সংসারপথে অগ্রসর হয়। পাখি যেমন অর্জিত জ্ঞান ও দৃঢ় বিশ্বাসের দ্বারা তার প্রিয় গন্তব্যে পৌঁছায়, তেমনই জীব নিষ্কাম কর্ম, নিষ্কাম ধর্ম ও জ্ঞানযোগে অর্জিত জ্ঞান এবং দৃঢ় বিশ্বাসের মাধ্যমে ভক্তি ও ভালোবাসার সহায়তায় তার পরম গন্তব্য,ঈশ্বরের ধামে পৌঁছে যায়।
সারসংক্ষেপঃ
কর্ম + ধর্ম = চলার শক্তি
জ্ঞান = দিকনির্দেশ
বিশ্বাস = ঈশ্বরের প্রতি দৃঢ় আস্থা
ভক্তি = গন্তব্যে পৌঁছানোর চূড়ান্ত মাধ্যম
ঈশ্বর প্রাপ্তির লক্ষণ।
ঈশ্বর প্রাপ্তির কিছু সাধারণ লক্ষণ রয়েছে, যা বিভিন্ন ধর্ম ও আধ্যাত্মিক পথ অনুসারে ভিন্ন হতে পারে। তবে এঁদের মধ্যে কিছু সাধারণ লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো—
ঈশ্বর প্রাপ্তি হলে :—
১.ভগবানের নাম নিতেই চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, কণ্ঠ ভারী হয়ে যায়, আর শরীর ভক্তির আনন্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
২.অহংকারের বিলোপ হবে। অখণ্ড শান্তি ও আনন্দ অনুভব করবেন।
৩.অপরিসীম প্রেম ও দয়া অনুভব হবে।
৪.মোহ-মায়া থেকে মুক্তি হবে।
৫.চেতনার উর্ধ্বগতি ও সমভাব হবে।
সুখ-দুঃখ, জয়-পরাজয়, লাভ-ক্ষতি—সবকিছু সমানভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতা জন্মাবে।
৬.আত্মজ্ঞান ও ঈশ্বরের সরাসরি অনুভূতি হবে। ঈশ্বরপ্রাপ্ত ব্যক্তি কেবল বিশ্বাসে নয়, বরং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায় ঈশ্বরকে অনুভব করেন।
৭.কামনা-বাসনার বিলোপ হবে।
শরীর ও ইন্দ্রিয়সংক্রান্ত কামনা ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে যায়, এবং ব্যক্তির চেতনা কেবল ঈশ্বরমুখী হয়ে ওঠে।
৮.অন্তরের মধ্যে এক দিব্য আলো অথবা জ্ঞান অথবা ঈশ্বরের উপস্থিতির অনুভূতি আসে।
৯.নির্বিচার ভক্তি ও আত্মসমর্পণ: ভাব প্রবল হবে। এই ভাব এত প্রবল হবে যে তিনি আর পূজা, মন্ত্র উচ্চারণ করতে পারবেন না, ঈশ্বর প্রেমের অশ্রু তাঁর চোখ দিয়ে বইতে থাকবে।
১০.তাঁর আত্মা নিজে নিজেই ঈশ্বরের নাম জপ করবে (অজপা জপ) এবং তিনি তাঁর চক্ষু দিয়ে ভগবানকে সাক্ষাৎ দেখবেন।
ঈশ্বরের পূজায় ঈশ্বর উপকৃত হন না। ঈশ্বরের পূজায় ভক্ত উপকৃত হন। ★ পূজার সংজ্ঞা: ভগবানের গুণাবলি প্রকাশক এবং গুণারোপিত ভগবৎ সত্তার পরিচায়ক দেবগণের প্রীতির জন্য সঠিক সেবা, গুণকীর্তন, প্রার্থনা, প্রণাম ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার আনুষ্ঠানিকতাকে পূজা বলা হয়। এক কথায়, সেবক ও ইশ্বরের ঐক্য সম্পর্কই পূজা। পূজার মূল উপাদান হলো ভক্তি। ভক্তি ছাড়া পূজা নিস্ফল হয়। পূজা দুটি অঙ্গ বা ভাগে বিভক্ত—বাহ্য পূজা ও আভ্যন্তর পূজা। ভক্তিনীতি: বাহ্যা ভক্তির্দুরাচারঃ, অন্তর্ভক্তিঃ সদাচারঃ। অন্তর্ভক্ত্যা আত্মশুদ্ধিঃ, আত্মশুদ্ধ্যা ঈশ্বরপ্রাপ্তিঃ॥ বাহ্য পূজা: বাহ্য পূজা দুই প্রকার—বৈদিক পূজা ও তান্ত্রিক পূজা। বৈদিক পূজা: বেদের নির্দেশ অনুযায়ী যে পূজা সম্পন্ন হয়, তাকে বৈদিক পূজা বলা হয়। তান্ত্রিক পূজা: তন্ত্রের নিয়ম অনুসারে যে পূজা করা হয়, তাকে তান্ত্রিক পূজা বলা হয়। আভ্যন্তর পূজা: মনের গভীর ভক্তি দ্বারা যে পূজা সম্পন্ন হয়, সেটি আভ্যন্তর পূজা। শ্রী জগন্নাথ ভক্তি তত্ত্ব। নিষ্কামকর্মদৃষ্ট্যা প্রভুঁ প্রসন্নং ভবদীয় সঃ নিষ্কামভক্তিভাবেন মগ্নঃ প্রভুঁ প্রাপ্নোতি সঃ। স এব শ্রীজগন্নাথঃ পরব্রহ্ম সনাতনঃ। ম...
Signs of Attaining God. There are some common signs of attaining God, which may vary according to different religions and spiritual paths. However, some general signs are given below. When one attains God: 1.Simply uttering the Lord’s name brings forth tears, a choked voice, and a body overwhelmed with ecstatic emotions. 2.Ego will dissolve. Unbroken peace and bliss will be experienced. 3.Boundless love and compassion will be felt. 4.Freedom from worldly attachments (Maya-Moha) will occur. 5.Elevated consciousness and equanimity will develop. The ability to accept everything, happiness and sorrow, victory and defeat, gain and loss, with a balanced mind will arise. 6.Self-realization and direct experience of God will happen. A person who attains God does not merely believe but directly experiences the presence of the Divine. 7.Desires and sensual cravings will vanish. Physical and sensory desires gradually diminish, and the consciousness becomes solely God-centered. 8....